টিপস এন্ড ট্রিকস

[টিপস এন্ড ট্রিকস][bsummary]

সফ্টওয়ার

[সফ্টওয়ার][bleft]

কম্পিউটার টিপস

[কম্পিউটার টিপস][twocolumns]

স্মার্টফোন টিপস

[স্মার্টফোন টিপস][twocolumns]

এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত

 সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বে সবচেয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে যে অস্ত্রটি তার নাম এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। রাশিয়ার তৈরি এই সমরাস্ত্রটিকে বিবেচনা করা হয় ক্ষেপণাস্ত্র অঙ্গনের সর্বাধুনিক সংস্করণ হিসেবে। এস-৪০০ আদতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা যাকে বলে ‘অ্যান্টি এয়ারক্রাফ্ট ওয়েপন সিস্টেম।


১৯৯০ সালে এস-৩০০ ক্ষেপাস্ত্রের নকশা বানায় রাশিয়ার সমরাস্ত্র তৈরির সরকারি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ‘আলমাজ-আনতে সেন্ট্রাল ডিজাইন ব্যুরো’। তখন এই ক্ষেপণাস্ত্রের নাম ছিল এস-৩০০ পিএমইউ-৩। এস-৩০০ পরিবারের উন্নত সংস্করণ হিসেবে ডিজাইন করা হয় এস-৪০০।

🔰 এস-৪০০ যেভাবে কাজ করে

মূলত চারটি উপায়ে কাজ করবে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটি।

👉 প্রথমত, এটির দীর্ঘ-পাল্লার নজরদারি রাডার বস্তুকে খুঁজতে শনাক্ত করতে পারে। এরপর তা কমান্ড ভিহিকলের কাছে পাঠিয়ে দেয়। যেটা সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করতে পারে।

👉 দ্বিতীয়ত, এস-৪০০ ব্যবস্থাটি লক্ষ্যবস্তুকে শনাক্ত করে এবং কমান্ড ভিহিকল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের নির্দেশ দেয়।

👉 তৃতীয়ত, উৎক্ষেপণ উপাত্ত ক্যারিয়ার রকেটে পাঠানো হলে এটি ভূমি থেকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

👉 চতুর্থত, লক্ষ্যবস্তুর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র যেতে সহায়তা করে সংশ্লিষ্ট রাডার।

এস-৪০০ তার কর্মক্ষমতা পূরণ করতে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে:
এই চারটি ক্ষেপণাস্ত্র হল-
👉 খুব দীর্ঘ পাল্লার ৪০এন৬ (৪০০ কিমি),
👉 দীর্ঘ পাল্লার ৪৮এন৬ (২৫০ কিমি),
👉 মাঝারি পাল্লার ৯এম৯৬ই২ (১২০ কিমি) এবং
👉 সংক্ষিপ্ত পাল্লার ৯এম৯৬ই (৪০ কিমি)।
🔰 এক নজরে এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা


👉 এস ৪০০ একই সময়ে ৩৬টি লক্ষবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এমনকি একই সময়ে ৭২টি মিসাইল ছুড়তে সক্ষম।

👉 ৪০০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি, ৬০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুও ট্রাকিং করতে সক্ষম।
👉 এস ফোর হান্ড্রেড একসঙ্গে ৩০০টি লক্ষ্যবস্তু ট্রাক করতে পারে।
👉 এর লক্ষ্যমাত্রা সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোমিটার। যা মিসাইল শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারে ৫ থেকে ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে।
👉 মাত্র ৫ মিনিটের প্রস্তুতিতেই লক্ষবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি।

👉 ঘণ্টায় ১৭ হাজার কিলোমিটার বেগে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি।
👉 এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় রয়েছে একটি র‌্যাডার এবং ১৬টি মিসাইল ধারণে সক্ষম চারটি ট্যাঙ্কার রয়েছে।

👉 এ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় একটি যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ পোস্ট, তিনটি সমন্বয়কারী জ্যাম-প্রতিরোধী পর্যায়ক্রমিক অ্যারে রাডার, বিমানের লক্ষ্যমাত্রা শনাক্ত করা, ছয়-আটটি বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্স (১২টি ট্রান্সপোর্টার-লঞ্চার, একটি বহু-কার্যকরী চার আলোকসজ্জা ও শনাক্তকরণ রাডার) যুক্ত রয়েছে। এছাড়া এটিতে একটি প্রযুক্তিগত সহায়তা ব্যবস্থা, একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহন যানবাহন ও একই সঙ্গে এটি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত শনাক্তকারী রাডার, টাওয়ার ও এন্টোনা পোস্ট রয়েছে।

👉 এস ৪০০তে ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহন যানবাহন রয়েছে  যার ফলে এস ৪০০ প্রয়োজন অনুযায়ী এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেয়া যায়। ট্রাকের মতো লঞ্চপ্যাড থেকে খুব সহজেই নিশানা লাগানো যায়।

👉 অত্যাধুনিক র‌্যাডারের মাধ্যমে এটি শত্রুপক্ষের ক্রুজ মিসাইল, সুপারসনিক মিসাইল,পঞ্চম প্রযুক্তির যে কোনো উড়ন্ত  অস্ত্র ,স্টিলথ প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান, যে কোনো ড্রোন সনাক্ত করে  মিসাইলের মাধ্যমে তা ধ্বংস করে।
👉 এটি মাঝারি ও দূরপাল্লার আকাশ বিমান হামলা প্রতিরোধে সক্ষম।
👉 এর আরও একটি সুবিধা হচ্ছে এত বড় একটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এক কমান্ডারসহ মাত্র তিনজন পুরো সিস্টেমটি নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

 

 

No comments:

তথ্য কণিকা

[তথ্য কণিকা][bsummary]

ব্যাংকিং টিপস

[ব্যাংকিং টিপস][bsummary]

টেক ইনফো

[টেক ইনফো][twocolumns]