টিপস এন্ড ট্রিকস

[টিপস এন্ড ট্রিকস][bsummary]

সফ্টওয়ার

[সফ্টওয়ার][bleft]

কম্পিউটার টিপস

[কম্পিউটার টিপস][twocolumns]

স্মার্টফোন টিপস

[স্মার্টফোন টিপস][twocolumns]

বৈচিত্র্যময় মরুউদ্ভিদ ওয়েলউইটসিয়া মিরাবিলিস

 সবুজ এই ধরার সব কিছুই সহজ নয়।প্রকৃতির খামখেয়ালি কোথায় আপন্র জন্য কোন বিষ্ময় এনে রেখেছে তা আপনার কল্পনারও বাহিরে। মরু অঞ্চলের বালুচরে দেখা মিলে বেশ কিছু বৃক্ষের। তবে এগুলোর সবগুলোই সাধারণ কোনো বৃক্ষ নয়, এগুলো দেখতে যতটা অদ্ভুত, ঠিক ততটাই অদ্ভুত এদের প্রাকৃতিক শক্তি। চরম প্রতিকূল পরিবেশেও এগুলো টিকে থাকতে পারে সেই শক্তির বলে। আজকে আমরা জানবো এমনি এক উদ্ভিদ ওয়েলউইটসিয়া মিরাবিলিস সম্পর্কে।


🔰 ওয়েলউইটসিয়া মিরাবিলিস
ওয়েলউইটসিয়া মিরাবিলিস বৃক্ষটি পৃথিবীর প্রচলিত গাছ পালার বা বৃক্ষের বিপরীতে কিছুটা অদ্ভুত আকৃতির। হয়তো এটিই সবচেয়ে বিস্ময়কর উদ্ভিদ এবং সত্যি বলতে সবচেয়ে কুরুচিপূর্ণ উদ্ভিদও বটে।

👉 বর্ননা
এর সংক্ষিপ্ত, কাঠবাদামহীন, কাটবিহীন কান্ডটিতে দুইটি চাবুকের আকারের পাতা থাকে। দূর থেকে দেখলে এলোমেলো কিছু একটা মনে হবে যেন কিছু ছেঁড়া কাপড় মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে।
একেবারে কাছে পৌঁছলে দেখা যাবে এটি উদ্ভিদ।

👉 পাতার বৈশিষ্ট্য
এ দুটি পাতার বৃন্ত থেকেই ক্রমাগত নতুন নতুন উপপত্রক জন্মাতে থাকে। এগুলি চিরসবুজ। বিস্তৃত পাতাগুলি ১৭৯ সেন্টিমিটার পর্যন্তও হয়ে থাকে। এই পাতাটি মাটিতে আচ্ছাদিত হয়ে থাকে ফলে গাছের নীচে মাটি শীতল এবং আর্দ্র রাখে। এই আদ্রতাকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভিদটি ৬৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত তাপমাত্রায় বেঁচে থাকতে পারে। এখানেই শেষ নয়। এ উদ্ভিদের পাতাগুলি বছরে গড়ে ১৩.৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। তাই উদ্ভিদটির জীবনকালে প্রায় ১৫০ মিটার পর্যন্ত পাতার টিস্যু উৎপাদন করতে পারে। পাতাগুলি গড়ে ১.৪ সেন্টিমিটার পুরু হয়।

👉 জীবনকাল
দীর্ঘায়ু উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে এর নাম রয়েছে বলেও জানা গেছে। ওয়েলউইটসিয়া সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ বছর বাঁচতে পারে। বৃহত্তম পাতার এই উদ্ভিদের কার্বন টেষ্ট করে জানা গেছে যে এগুলোর কোনো কোনোটির বয়স ১৫০০ বছরেরও বেশি।

👉 অবস্থান
ওয়েলউইটসিয়া মিরাবিলিস বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন মরুভূমি নামিবিয়ার শুকনো পরিস্থিতিতে দেখা যায় যা আঙ্গোলা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূল বরাবর নামিবিয়ার পশ্চিম অংশে বিস্তৃত। এ ধরনের স্থানে কয়েক বছর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয় না। গড় বৃষ্টিপাত প্রতি বছর গড়ে 100 মিলিমিটারেরও কম হয়।

নামিবিয়া অঞ্চলে দেখা গেলেও অন্যান্য মরুভূমিতেও কম বেশি পাওয়া যায়। এর জৈবিক গঠনপ্রকৃতি এমন যে, এটি সর্বোচ্চ প্রতিকূল পরিবেশেও বেঁচে থাকতে সক্ষম। এর শেকড় পানির খোঁজে এতটাই গভীরে যায় যে পানি যদি পৃথিবীর কেন্দ্রেও থাকে, তাহলে সেটি সেখানেই পৌঁছে যাবে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি প্রাগৈতিহাসিক যুগে আবির্ভুত হয়।

👉 আবিষ্কার
প্রথম ওয়েলুইটসিয়া উদ্ভিদটি আঙ্গুলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের নামিবে প্রান্তরে ১৮৬০ সালে অস্ট্রিয়ান উদ্ভিদবিদ ফ্রিডরিচ ওয়েলউইটস আবিষ্কার করেছিলেন। উদ্ভিদটির সফল বোটানিকাল গবেষণার স্বীকৃতি হিসাবে এবং তিনি এটি খুঁজে পেয়ে প্রথমে সংগ্রহ করেছিলেন বলে তার নামানুসারে উদ্ভিদটির নামকরণ করা হয়েছিল।

No comments:

তথ্য কণিকা

[তথ্য কণিকা][bsummary]

ব্যাংকিং টিপস

[ব্যাংকিং টিপস][bsummary]

টেক ইনফো

[টেক ইনফো][twocolumns]